Previous
Next

সর্বশেষ


Saturday, August 4, 2018

শনির আখড়াতে ছাত্রদের ধাওয়া খেয়ে পালালো বরিশালের এমপি পংকজ দেবনাথ

শনির আখড়াতে ছাত্রদের ধাওয়া খেয়ে পালালো বরিশালের এমপি পংকজ দেবনাথ



ডিসিএফ রিপোর্টঃ রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাস চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় সারাদেশের ন্যায় রাজধানীর শনির আখড়াতেও আন্দোলনে নামে স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা ।

সব জায়গার মত এখানেও তারা রাস্তায় চলাচলরত সকল গাড়ীর লাইসেন্স চেক করছিলো ।সেই সময় তারা সংসদ সদস্য স্টীকারযুক্ত গাড়িও আটকায়।সেই গাড়িটিরও কোন লাইসেন্স ছিলোনা।গাড়িটি ছিলো বরিশালের সংসদ সদস্য পংকজ দেবনাথের,এবং তিনিই তখন গাড়ির ভিতর বসা ছিলেন।  তাই ছাত্ররা সেই গাড়িতে থাকা ব্যক্তিকে গাড়ি থেকে নামতে বাধ্য করে।গাড়ির ব্যক্তিটি নিজেকে সংসদ সদস্য বলে পরিচয় দিয়ে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করলে ছাত্ররা বিক্ষোভ শুরু করে এবং এমপি কোন চ্যাটের বাল,ভুয়া এমপি বলে স্লোগান শুরু করে । তিনি গাড়ি ছেড়ে রিক্সায় উঠতে চান,কিন্তু ছাত্ররা তাকে পায়ে হেটে যেতে বলে ।

তখন পংকজ দেবনাথ উত্তেজিত হয়ে পড়েন।তিনি উত্তেজিত হয়ে ছাত্রদের উপর চড়াও হতে গেলে ছাত্ররা ক্ষেপে গিয়ে তাকে ধাওয়া করে। ধাওয়া খেয়ে তিনি স্থানীয় এক আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে আশ্রয় নিলে বিক্ষুদ্ধ ছাত্ররা তাকে সেখান থেকে ধাওয়া করে,পরে শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে পায়ে হেটে গিয়ে ধনিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে গিয়ে আশ্রয় নেন ।

Wednesday, August 1, 2018

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলা

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলা

জাগরণ নিউজ ডেস্কঃ 

রাজধানীর বিমানবন্দর রোডে বাস চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে সারা দেশে চলছে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে সেখানকার আশেপাশের স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করতে রাস্তায় নেমে পড়ে।

যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়ার বাশপট্টি এলাকাতে হঠাৎ কিছু যুবক জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে একটি মিছিল থেকে আন্দোলনরত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায় ।

হামলাকীরার স্থানীয় ছাত্রলীগের ক্যাডার বলে স্থানীয় ব্যক্তিরা ও শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন,তবে কেউ হামলাকারীদের সম্পূর্ণ পরিচয় নিশ্চিত জানাতে পারেনি ।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা পুলিশের কাছে হামলার বিচার চাইলে পুলিশ বিষয়টি দেখবে বলে শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দেন।

Friday, July 27, 2018

সরকারের মুখে উন্নয়ন, কাজে দুর্নীতির পাহাড় : রিজভী

সরকারের মুখে উন্নয়ন, কাজে দুর্নীতির পাহাড় : রিজভী

ডিসিএফ নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতাসীন মহলের গ্রিন সিগন্যাল ছাড়া লাখ লাখ টন কয়লা অদৃশ্য হয়ে যায়নি মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ভোটারবিহীন আওয়ামী সরকারের আমলে ক্ষমতাসীনদের মুখে উন্নয়নের জোয়ার, আর কাজে দুর্নীতির পাহাড়। বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিতে এত বিশাল পরিমাণ কয়লা লুটপাটের পর দুদক তদন্ত শুরু করেছে। ‘যেন রোগী মরিবার পর ডাক্তার আসিলেন’। আসলে দুদক তো সরকারের দুর্নীতি ধোয়ার মেশিন। আর বিরোধী দলের জন্য দুদক টর্চারিং মেশিন। দুদকের তদন্ত আইওয়াশ মাত্র।

আজ শুক্রবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী এসব বলেন। নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।

রিজভী লিখিত বক্তব্যে বলেন, গতকাল যখন এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির মাধ্যমে মানুষের সম্পদ লুটপাট না করার জন্য আহবান জানিয়েছেন তখন কয়লা খনির দুর্নীতির খবরে দেশ-বিদেশ সরগরম। আসলে এই অবৈধ সরকারের আমলে মহা দুর্নীতি, সুপার দুর্নীতি, মেগা দুর্নীতিরই জয়জয়কার। শেয়ার মার্কেট থেকে শুরু করে পদ্মা সেতু হয়ে ব্যাংক-বীমা-আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে প্রাইমারী স্কুল থেকে বিশ^বিদ্যালয় পর্যন্ত পরীক্ষা ও সরকারী চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষার হাইপার দুর্নীতি মহাধুমধামেই চলছে এই সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায়। তথ্যমন্ত্রী তথ্য দিয়েছেন যে, পিয়নের চাকরি নিতে গেলেই নাকি ১০ লাখ টাকা লাগে। এই ১০ লাখ টাকার ভাগ কে কে পায় সেটিও তথ্যমন্ত্রী জানালে ভালো করতেন।

তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে লোপাট হয়ে গেল লাখ লাখ টন কয়লা, অথচ খনি কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি। কারণ খনি কর্তৃপক্ষই ‘শুঁড়ির সাক্ষী মাতাল’। আবার বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির বিপুল পরিমাণ কয়লা লোপাট হওয়া বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উদাসীন থাকাটা রহস্যজনক।

খনির কয়লা উৎপাদন বন্ধ থাকার ঘোষণা, কয়লা সরবরাহ বন্ধ হয়ে আসা, গত বছর জুলাইয়ে বিদ্যুৎ কেন্দের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং গত রোববার থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়ার পরও মন্ত্রণালয়ের হুঁস হলো না কেন, তাতেই প্রমাণিত হয়-ক্ষমতাসীন মহলের গ্রীন সিগন্যাল ছাড়া লাখ লাখ টন কয়লা অদৃশ্য হয়ে যায়নি।

রিজভী বলেন, আওয়ামী শাসনামলে এত বিপুল পরিমাণ কয়লা চুরিতে কেউ বিস্মিত নয়, কারণ মেগা চুরির ঘটনা কেবলমাত্র আওয়ামী লীগের আমলেই ঘটে, এছাড়া স্বয়ং অর্থমন্ত্রী নিজেই বলেছেন- এখন পুকুর চুরি নয়, সাগর চুরি হয়। দুর্নীতি-দুঃশাসনের সংস্কৃতি আওয়ামী লীগেরই। মন্ত্রী-এমপিদের তদবিরে অসাধু ব্যবসায়ী ও খনি সিন্ডিকেটই জাতীয় সম্পদ কয়লা বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজে না লাগিয়ে কালোবাজারে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এর প্রমাণ- কয়লা লোপাটের সাথে খনি দুর্নীতির তদন্তে নাম আসা প্রকল্পের একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে বিদেশ যেতে ৪২ দিনের ছুটি দেয়া হয়েছে। তাই এই কয়লা লোপাটের মহাদুর্নীতির দায় সরকার বা সরকার প্রধান এড়িয়ে যেতে পারে না।

বিচারবহির্ভূত হত্যার সমালোচনা করে বিএনপির শীর্ষ এই নেতা বলেন, আইন হাতে নিয়ে বেআইনী পন্থায় চালানো হচ্ছে দেশব্যাপী মাদক বিরোধী অভিযান। এই অভিযান জনমনে আতঙ্কের হিম শীতল স্রোত বইয়ে দিচ্ছে। প্রতিদিনই বন্দুক যুদ্ধের নামে চলছে মানুষ হত্যার উৎসব। মাদক অভিযান শুরু থেকে এ পর্যন্ত বন্দুক যুদ্ধে প্রায় আড়াই শত জন ব্যক্তিকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সরকারের বাহিনীগুলো গর্বের সঙ্গে মাদক বিরোধী অভিযানের কথা বলছেন জোরেসোরে। কৃতিত্ব দাবি করছেন মাদক নির্মূলের, কিন্তু জনসমাজে মাদকের ব্যাপ্তি কতটুক হ্রাস পেয়েছে তা সবাই টের পাচ্ছে। বেআইনী কর্মকান্ড বেআইনী পন্থায় দমন করা যায় না, প্রয়োজন হয় ন্যায় ভিত্তিক আইনের শাসনের প্রয়োগ।

রিজভী বলেন, আওয়ামী আদর্শে রঞ্জিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জনপ্রশাসন কখনোই নিরপেক্ষভাবে অপরাধ ও অপরাধীকে চিহ্নিত করে তা নির্মূল করতে পারে না। এই কারণে মাদকের গডফাদাররা অধরাই থেকে যাচ্ছে, বদিরা এখনো বহালতবিয়তে রয়েছে, তাদের কেশাগ্র স্পর্শ করতে পারেনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকেরা। মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ক্ষমতাসীনদের অনুগ্রহভাজন হয়ে ক্ষমতাসীন দলের অন্যায্য-অন্যায় নির্দেশ পালন করছে। এই কারণে তারা বাংলাদেশে এত রক্ত ঝরিয়েও মাদকের বিস্তার রোধ করতে পারেনি। লোক দেখানো অভিযানে মাদকের শিকড় উপড়ে ফেলা যায়। যার কারণে ক্ষমতার সাথে সংশ্লিষ্ট বড় বড় মাদক ব্যবসায়ীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

রিজভী বলেন, আমরা বারবার বলেছি- দেশজুড়ে ক্রসফায়ারের হিড়িক মূলত দেশের জনগোষ্ঠীকেই আতঙ্কিত করা। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের মনে ভয় ঢোকানোর জন্য এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযানে বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজনকে হত্যা করা হয়েছে। ঝিনাইদহ ও নেত্রকোনার পর তিন দিন আগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ছাত্রদল নেতা বাদশাকে নির্মমভাবে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে, এরা কেউ মাদকের সাথে জড়িত ছিল না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গত কয়েক বছর ধরেই বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অনেক নেতাকর্মীদের আটকের পর পকেটে মাদক ঢুকিয়ে মিডিয়ায় প্রচার করে। মনে হয় তারা যেন আদিষ্ট হয়েই একটা কমন ফরমেট দাঁড় করিয়েছে এই হীন কাজটি করার জন্য। কয়েকদিন আগে মানিকগঞ্জে পকেটে মাদক ঢুকাতে গিয়ে ধরা পড়ে পুলিশ গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছে। এমন ঘটনা ঘটছে অহরহ।

তিনি আরো বলেন, এই অবৈধ ক্ষমতাসীনরা বাংলাদেশকে হননের দেশ, মৃত্যুর দেশ, আতঙ্কের দেশ ও রক্তপাতের দেশে পরিণত করেছে। গণতন্ত্রের দেহে ছুরি চালিয়ে বাংলাদেশে তারা লাশ আর রক্তের কর্মসূচি কায়েম রেখেছে। এদের আমলেই ইয়াবা আর ফেনসিডিলে সারাদেশ ছেয়ে গেছে। দেশের জনপ্রিয় নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাবন্দী রেখে, নিরপেক্ষ সরকারের দাবি না মেনে আগামী জাতীয় নির্বাচন একতরফা করতে দেশকে ভোটারশূন্য করার জন্যই সরকার ক্রসফায়ারকে নিজেদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন বলে মনে করছে। আমি দলের পক্ষ থেকে সরকারের দুরভিসন্ধিমূলক এই মনুষ্যত্বহীন ও অমানবিক নিষ্ঠুর ক্রসফায়ারের কর্মসূচি বন্ধ করার জোর আহবান জানাচ্ছি।

রিজভী বলেন, অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের ফিরিস্তি শুনতে শুনতে বাংলাদেশের মানুষ ক্লান্ত-শ্রান্ত। আওয়ামী লীগ নিজেদের মানসম্মান সম্পর্কে সচেতন নয় বলেই তারা মিথ্যা উন্নয়নের গলাবাজী করে। আওয়ামী লীগ নেতাদের মুখে উন্নয়নের কথা শুনলেই মানুষের হাসি পায়। কিন্তু এত মেগা প্রজেক্টের আওয়াজ কিসের জন্য তা জনগণের বুঝতে বাকি নেই। কারণ এই মেগা প্রজেক্ট থাকলেই সেকেন্ড হোম ও বেগম পল্লী বানানো যায়। অথচ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা ধ্বংস হয়ে গেছে। একটু বৃষ্টিতেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন শহর তলিয়ে যায়, বিভৎস জলাবদ্ধতায় মানুষ, গরু-বাছুর-বাস ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবহন অর্ধেকের বেশি ডুবে থাকে। জলজট ও যানজটে নগরবাসীর দুর্ভোগ সীমাহীন। খানা-খন্দে ভরা রাস্তাঘাটের বেহাল দশায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। সারাদেশে প্রায় ৮৫ হাজার কিলোমিটার রাস্তাঘাটে বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। হাট-বাজারের অবস্থাও বেহাল, সেখানেও কোন উন্নতির ছোঁয়া লাগেনি। গ্রামীণ সড়ক গ্রামীণ অবকাঠামো ভেঙ্গে পড়ায় কর্মসংস্থান কমে গেছে, ফলে বেকারত্ব বাড়ছে ভয়াবহ আকারে। কোরবানী ঈদের প্রাক্কালে পশুর হাট, মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা যে কি দুর্বিষহ হয়ে পড়বে তা নিয়ে মানুষ চিন্তিত।

Thursday, July 26, 2018

বরিশালে ভোটের পরিসংখ্যানে এগিয়ে আছে বিএনপি ।

বরিশালে ভোটের পরিসংখ্যানে এগিয়ে আছে বিএনপি ।



ডিসিএফ নিউজ ডেস্কঃ
বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এবার মোট ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৯ জন। ২০১৩ সালের জুনে অনুষ্ঠিত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এখানে মোট ভোটার ছিল ২ লাখ ২৮ হাজার ৬৮১ জন। সেই হিসেবে নগরীতে ভোটার বেড়েছে ১৩ হাজার ২৭৮ জন। এরমধ্যে নতুন ভোটার হয়েছেন প্রায় ৩০ হাজার। বাকি ভোটারদের কেউ মৃত্যুবরণ করেছেন কিংবা স্থানান্তর হয়েছেন।

বরিশাল সিটি নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোটার রয়েছেন প্রায় ১৬ হাজার। বস্তি কিংবা কলোনীতে ভোট আছে প্রায় ৩০ হাজার। এতকিছুর পরও বিগত ৩টি নির্বাচনের পরিসংখ্যান এগিয়ে রাখছে বিএনপিকে। তবুও জনগণের পুনঃসমর্থন চাইছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাড. মোঃ মজিবর রহমান সরোয়ার। এদিকে, বিগত ভোটের পরিসংখ্যানে বিচলিত নয় আওয়ামী লীগ। সরকারের ব্যাপক উন্নয়নে ভোটের পরিসংখ্যান পাল্টে যাওয়ার আশা ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের। বাম ঘরানার দুই মেয়র প্রার্থীর দাবি, কারো ভোট ব্যাংক অক্ষুন্ন থাকে না। বর্তমান নতুন প্রজন্ম পরিবর্তনের পক্ষে।

২০০৩ সালের ৩১ মার্চ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অ্যাড. মোঃ মজিবর রহমান সরোয়ার ৪২ হাজার ৬২১ ভোট পেয়ে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এনায়েত পীর খান পেয়েছিলেন ৩২ হাজার ৬৫৫ ভোট। ২০০৮ সালে দ্বিতীয় নির্বাচনে কোন প্রার্থীকে সমর্থন দেয়নি বিএনপি। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত শওকত হোসেন হিরন ৪৬ হাজার ৭৯৬ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। বিএনপি ঘরানার ০৩ জন প্রার্থী সান্টু, কামাল ও চান মিলে পান প্রায় ৯০ হাজার ভোট।

২০১৩ সালে তৃতীয় নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত আহসান হাবিব কামাল ৮৩ হাজার ৭৫১ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত শওকত হোসেন হিরন পেয়েছিলেন ৬৬ হাজার ৭৭১ ভোট। এরমধ্যে হিরণের ব্যক্তি ইমেজের ভোট ছিল প্রায় ২০ হাজার। তবে বামপন্থী নেতাদের দাবি, এবার ভোটের হিসেব পাল্টে যাবে।

বরিশাল নগরীতে জাতীয় পার্টির শক্তি আগেও ছিলো, এখনো আছে। যা ভোটের মাধ্যমে বহিঃ প্রকাশ ঘটবে, বলে আশা লাঙ্গল প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপসের। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন বরিশালে ব্যাপক উন্নয়ন এবং দলীয় ভোট ব্যাংকের উপর ভরসা করে জয়ের আশা বিএনপি মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোঃ মজিবর রহমান সরোয়ারের। তবে এবারের নির্বাচনে প্রচার প্রচারণা আর গণসংযোগে এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি নতুন প্রজম্মের নতুন ভোটারদের অধিকাংশ ভোটই পাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন আওয়ামী লীগের কর্মী ও সমর্থকরা।

এদিকে জাতীয় পার্টি, বাসদ ও কমিউনিস্ট পার্টির মেয়র প্রার্থীরা যে ভোট পাবেন তার অধিকাংশই আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক থেকে মাইনাস হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। এদিকে বাসদের মেয়র প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ সহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেক ভোট পাবেন বলে মনে করেন জমজম ইনস্টিটিউটের পাবলিক রিলেশন অফিসার মুন্সী এনাম। অপরদিকে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব যে ভোট পাবেন তার অধিকাংশই বিএনপির ভোট ব্যাংক থেকে মাইনাস হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটারের পরিসংখ্যান যেভাবেই বিশ্লেষণ করা হোক না কেন সুষ্ঠু ভোট হলে সার্বিক বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মজিবর রহমান সরোয়ার। বাকিটা নির্ভর করবে নির্বাচন কেমন হয় তার উপর। নগরীর চাদমারী এলাকার কাঠ ব্যবসায়ী বাদশা মিয়া বলেন, ভোট দেয়ার সুযোগ পেলে অবশ্যই ধানের শীষে ভোট দেব। আমরা সবসময়ই ধানের শীষে ভোট দিয়ে আসছি। অনেকে নৌকার ব্যাচ বুকে লাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ধানের শীষে ভোট দিতে পারে ধারণা করছেন বাদশা মিয়া। তবে শওকত হোসেন হিরণের উন্নয়নের কথা মনে করে বস্তির অনেক ভোটার আওয়ামী লীগের নৌকায় ভোট দিতে পারেন বলে মনে করেন ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার আবু হানিফ। বস্তিবাসীর ৩০ হাজার ভোটের অধিকাংশই যদি কেনাবেচা হয়, তাহলেও পাল্টে যেতে পারে ভোটের হিসেব।

৫৮ বর্গ কিলোমিটার বরিশাল সিটি করপোরেশনের ৪র্থ পরিষদের নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের মোট ৬ মেয়র প্রার্থী এবার প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

Friday, July 20, 2018

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নয়া পল্টনের সমাবেশে জনতার ঢল

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নয়া পল্টনের সমাবেশে জনতার ঢল

ডিসিএফ রিপোর্টঃ বিএনপির চেয়রপার্সন আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নয়াপল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে ।বিক্ষোভ সমাবেশ দুপুর তিনটা থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই সমাবেশ স্থলে আসতে শুরু করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্থানের নেতা কর্মীরা ।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয় । উক্ত সমাবেশে ঢাকার বিভিন্ন প্রান্তের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন ।

ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন (সম্মানিত উপদেষ্ঠা,দেশনেত্রী সাইবার ফোরাম) এর নেতৃত্বে  যাত্রাবাড়ী,শ্যামপুর,কদমতলী,ডেমরা থানার বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মীর
একটি বিশাল মিছিল সমাবেশে অংশ নেয় ।

যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রদল এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শান্ত ইসলাম জুম্মন এর নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মীর একটি মিছিল তানভীর আহমেদ রবিনের মিছিলে যোগ দিয়ে সমাবেশে অংশ নেয় ।
হাজারীবাগ থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুমনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের

হাজারীবাগ থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুমনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের

ডিসিএফ নিউজ ডেস্কঃ শহীদ আলহাজ নাসির উদ্দিন আহম্মেদ পিন্টুর স্নেহধন্য । আন্দোলন সংগ্রামের প্রিয় মুখ মেধাবী ও পরিশ্রমী সফল ছাত্রনেতা, হাজারীবাগ থানা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মোঃ সুমন হোসেন এর বিরুদ্বে ধানমন্ডি থানায় মিথ্যা মামলা হয়েছে।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এর সভাপতি রাজিব আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টু সুমনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা দায়ের এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান ।

ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদল এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক                                           গিয়াস উদ্দিন মানিক এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান ।

Thursday, June 7, 2018

ছাত্রদল নেতা এম এ গাফফারের বাসায় আবারো পুলিশী হামলা

ছাত্রদল নেতা এম এ গাফফারের বাসায় আবারো পুলিশী হামলা



ডিসিএফ নিউজঃ আন্দোলন সংগ্রামে বিএনপির ভ্যানগার্ড খ্যাত জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এর অন্যতম ইউনিট ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল এর সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক এম এ গাফফারের বাসায় আবারো পুলিশ তল্লাশীর নামে ভাঙচুর ও হামলা চালায় ।

পুলিশ হামলা চালানোর সময় বাড়িতে ছিলেন না এম এ গাফফার ।তাকে বাসায় না পেয়ে তার পরিবারের মহিলা সদস্যদের সাথে পুলিশ অশালীন আচরণ করে ।

তার বাসায় বারবার পুলিশী হামলা চালানোর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন,সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টু,ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন ।

উল্লেখ্য যে, এম এ গাফফারের বাসায় পুলিশ এর আগে একাধিকবার হামলা চালায় ।

Thursday, May 3, 2018

শহীদ নাসির উদ্দিন পিন্টুর ৩য় শাহাদাৎ বার্ষিকী আজ

শহীদ নাসির উদ্দিন পিন্টুর ৩য় শাহাদাৎ বার্ষিকী আজ



ডিসিএফ নিউজঃ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এর  দুঃসময়ের কান্ডারী,কালজয়ী ছাত্রনেতা,জিয়া পরিবারের অতন্দ্র প্রহরী,বিএনপির সাবেক ঢাকা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন পিন্টুর ৩য়  শাহাদাৎ বার্ষিকী আজ ।

হ্যা শাহাদাৎ বার্ষিকী ! কারণ,২০১৫ সালের আজকের এই দিনে রাজশাহীর কারাগারে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় নাসির উদ্দিন পিন্টুকে ।তার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিলো না,তাকে হত্যা করা হয়েছে ।যাকে বলে জেল হত্যা ।

শহীদ নাসির উদ্দিন পিন্টুর ৩য় শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল এর উদ্যেগে আজ (বৃহঃবার) বাদ যোহর রাজধানীর আজীমপুর কবরস্থানে শহীদ নাসির উদ্দিন পিন্টুর কবর জিয়ারত ও বাদ আছর হাইকোর্ট মাজার প্রাঙ্গনে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে ।

Tuesday, April 24, 2018

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে তারেক রহমানের লিগ্যাল নোটিশ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে তারেক রহমানের লিগ্যাল নোটিশ

ডিসিএফ নিউজ ঃ  বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাসপোর্ট জমা দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বর্জন করেছেন’ পরররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

 একই সঙ্গে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করায় দৈনিক ‘কালের কণ্ঠ’র সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন ও ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ সম্পাদক নঈম নিজামকেও আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

 গতকাল তারেক রহমানের পক্ষে ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠান বিএনপি’র আইন বিষয়ক সম্পাদক ও তারেক রহমানের আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

নোটিশে ওই বক্তব্য প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে কায়সার কামাল বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বর্জন করেছেন’ মর্মে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের এই বক্তব্য প্রত্যাহার করতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশ প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে প্রতিমন্ত্রীকে বক্তব্য প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে।

Monday, April 23, 2018

আজকের বিক্ষোভ মিছিল থেকে ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রদল এর ৯ জন নেতাকর্মী গ্রেফতার

আজকের বিক্ষোভ মিছিল থেকে ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রদল এর ৯ জন নেতাকর্মী গ্রেফতার


ডিসিএফ নিউজ ঃ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর  দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত আজকের বিক্ষোভ মিছিল থেকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল এর বিভিন্ন ইউনিটের ৯ জন নেতাকর্মীকে পুলিশ  গ্রেফতার করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল গাফফার ।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে চকবাজার থানা ছাত্রদলের ৪ জন , যাত্রাবাড়ী থানা ছাত্রদলের ৪ জন এবং লালবাগ থানা ছাত্রদলের ১ জন রয়েছে ।

এসব গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও গ্রেফতারকৃতদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন,সদ্য কারামুক্ত সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টু,ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন,সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল গাফফার ।